শনিবার চন্দ্রগঞ্জ থানা যুবদলের শীর্ষ নেতাদের বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন ওই নেতারা। এ পরিস্থিতিতে কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায়, সবশেষ রফিক উল্যাকে আহ্বায়ক ও মাসুদুর রহমান মাসুদকে সদস্য সচিব করে কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুর রশিদসহ ১২ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। চন্দ্রগঞ্জ থানা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্যা, যুগ্ম আহ্বায়ক এম আবদুল খালেক ও সদস্য সচিব আবদুল মুকিত সোহেল এ কমিটির অনুমোদন দেন।
নতুন কমিটিতেও টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া, আওয়ামী লীগের কর্মীসহ বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে রাখার অভিযোগ তোলেন নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রশিদ, মো. জাহাঙ্গীর, এমরান হোসেন, রাজু হোসেন, খুরশিদ আলম, দিদারুল আলম, আজিম উদ্দিন বাবলুসহ ১৮ নেতা পদত্যাগ করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, সবশেষ রফিক উল্যাকে আহ্বায়ক ও মাসুদুর রহমান মাসুদকে সদস্য সচিব করে কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুর রশিদসহ ১২ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। চন্দ্রগঞ্জ থানা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্যা, যুগ্ম আহ্বায়ক এম আবদুল খালেক ও সদস্য সচিব আবদুল মুকিত সোহেল এ কমিটির অনুমোদন দেন।
নতুন কমিটিতেও টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া, আওয়ামী লীগের কর্মীসহ বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে রাখার অভিযোগ তোলেন নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রশিদ, মো. জাহাঙ্গীর, এমরান হোসেন, রাজু হোসেন, খুরশিদ আলম, দিদারুল আলম, আজিম উদ্দিন বাবলুসহ ১৮ নেতা পদত্যাগ করেন।
